How the Nile virus spreads in the human body

How the Nile virus spreads in the human body, The new name for panic is Nile virus. Many people have died in India due to this virus. A seven-year-old child died in Kozhikode, Kerala on Monday. Since then, the virus has spread panic.

Part of the danger of the virus is the fact that it changes very quickly – after being sick with one season’s strain, the human body, as a rule, has become unprepared for next year’s strain.

Let’s find out some information about this virus.

What is the Nile virus?

West Nile virus or WNV. This is the full name of the Nile virus. It is a mosquito-borne disease. The disease is usually spread by Culex mosquitoes. The virus is transmitted from birds to humans through mosquitoes. Outbreaks appear to be exacerbated in Africa, Europe, North America and West Asia.

This is what happens when a virus attacks

There are no known symptoms of West Nile virus. The virus initially attacks the fever, headache, rash on the skin in some cases. Gland problems are also seen. These symptoms can last from a few days to a few weeks.

When the danger is greatest

Danger if the Nile virus reaches the brain in any order. The infection spreads as soon as it reaches the brain. This infection can lead to death. Even that infection spreads beyond the brain to the spinal cord. That is why the nervous system of the human body is crippled.

Whose danger is greater

People with low immunity are more likely to get the disease. Immunity is generally low in children and the elderly. Therefore, children and adults are most at risk of contracting this disease.

What is medicine?

There is no cure or vaccine for this disease in human body yet. Neuro-invasive methods are used to prevent the nervous system from becoming completely paralyzed. The disease is dealt with through various life support systems. So the best way to avoid this disease is to protect yourself from mosquito bites.

নাইল ভাইরাস মানবদেহে কীভাবে ছড়ায়

নাইল ভাইরাস মানবদেহে কীভাবে ছড়ায়,আতঙ্কের নতুন নাম নাইল ভাইরাস। এই ভাইরাসের কবলে পড়ে ভারতে অনেকের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ গতকাল সোমবার কেরালার কোঝিকোড়ে মৃত্যু হয়েছে সাত বছরের এক শিশুর। তারপর থেকেই এই ভাইরাস নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।

ভাইরাসের বিপদের অংশটি সত্য যে এটি খুব দ্রুত পরিবর্তিত হয় – এর মধ্যে একটি মৌসুমের স্ট্রেনের সাথে অসুস্থ হওয়ার পরে, মানবদেহ, একটি নিয়ম হিসাবে, পরের বছরের স্ট্রেনের জন্য অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছে।

আসুন জেনে নিই এই ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য।

নাইল ভাইরাস কী?

ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস বা ডব্লিউএনভি। এটাই নাইল ভাইরাসের পুরো নাম। এটি একটি মশাবাহিত রোগ। সাধারণত কিউলেক্স মশা থেকে এই রোগ ছড়ায়। মূলত পাখির দেহ থেকে মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস ঢোকে মানুষের শরীরে। আফ্রিকা, ইউরোপ, নর্থ আমেরিকা ও পশ্চিম এশিয়ায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব সবথেকে বেশি।

এই ভাইরাসের আক্রমণে কী হয়

ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসের মারাত্মক কোনও লক্ষ্মণ দেখা যায় না। এই ভাইরাসের আক্রমণে প্রাথমিকভাবে জ্বর আসে, মাথা যন্ত্রণা হয়, গায়ে র‌্যাশও বেরোতে দেখা যায় কারও কারও ক্ষেত্রে।এ ছাড়া গ্ল্যান্ডের সমস্যাও দেখা যায়। এই লক্ষ্মণগুলো কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

কখন বিপদ হয় সবথেকে বেশি

নাইল ভাইরাস যদি কোনও ক্রমে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায় তাহলেই বিপদ। মস্তিষ্কে পৌঁছলেই ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। এই সংক্রমণ হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এমনকি সেই সংক্রমণ মস্তিষ্ক ছাড়িয়ে পড়ে সুষুম্নাকাণ্ডে। যে কারণে মানবশরীরের স্নায়ুতন্ত্র বিকল হয়ে পড়ে।

কাদের বিপদ বেশি

যেসব মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা সহজেই এই রোগের শিকার হন। সাধারণত শিশু ও বয়স্ক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হয়। তাই শিশু ও বয়স্কদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সবথেকে বেশি।

ওযুধ কী

মানুষের দেহে এই রোগ হলে তা নিরাময়ের কোনও ওষুধ বা ভ্যাকসিন এখনও পর্যন্ত নেই। স্নায়ুতন্ত্র যাতে পুরোপুরি বিকল হয়ে না পড়ে সে জন্য নিউরো-ইনভেসিভ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। সঙ্গে বিভিন্ন লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ওই রোগের মোকাবিলা করা হয়। তাই এই রোগ থেকে বাঁচার সবথেকে ভাল উপায় মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে চলা।

Licorice is used to cure liver diseases

Licorice is used to cure liver diseases, Licorice, the leaves are ovate, green and smooth licorice is a perennial herb. The stems are multi-branched, three to four feet long, simple and soft. Its leaves are arranged parallel on both sides of the bar and have a leaf at the tip of the bar.

The tradition of using licorice in the treatment of various diseases is very old. And as a result of this tradition, the eyes of modern researchers fall on the lime. It has been proven in various studies conducted so far.

The leaves are ovate, green and smooth. Light pink flowers bloom on both sides of the peduncle. The fruit is pod-like and each fruit contains two to five seeds. Its roots are quite thick, round and have a sweet taste.

The main effective chemical ingredient in licorice is the triterpenoid saponin glycerin (a mixture of potassium and calcium salts of glycyrrhizinic acid).

It also contains glybranin A and B, glycyrrhizin, glabrolides, triterpenoid saponins called isoglarolides; Isophobes called formononatin, glabron, neoliquiritin, hispa-glabridine A and B; Coumarin called herniarine, ambiliferon and triterpine sterol called anoserin, amyrin, stigmasterol etc.

Modern research and medicinal properties The tradition of using licorice in the treatment of various diseases is very old. And so much use brings back the attention of modern researchers.

Various studies conducted so far have shown that licorice is effective in curing ulcers, various diseases of the liver, epilepsy and sexually transmitted diseases.

Winter has begun. At this time of winter, many people are getting infected with viral cold-fever. Some herbal ingredients work best to protect against viral cold-fever. Playing these, the cold-fever gets better. Medication is not required.

The tradition of using licorice in the treatment of various diseases is very old. And as a result of this tradition, the eyes of modern researchers fall on licorice. It has been proven in various studies conducted so far.

Licorice is a perennial herbaceous plant. It plays an effective role in curing ulcers, various liver diseases, epilepsy and sexually transmitted diseases. In addition, drinking licorice tea cures viral cold-fever.

Licorice tea helps to keep the esophagus and stomach clean. LDL prevents heart problems by preventing oxidation, controlling the right levels of testosterone

যকৃতের রোগ নিরাময়ে যষ্টিমধু

যকৃতের রোগ নিরাময়ে যষ্টিমধু, পাতাগুলো ডিম্বাকৃতির, সবুজ ও মসৃণ যষ্টিমধু বহুবর্ষজীবী গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এর কাণ্ড বহু শাখাবিশিষ্ট, তিন-চার ফুট লম্বা, সরল ও নরম হয়ে থাকে। এর পাতা দণ্ডের উভয়দিকে সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত এবং দণ্ডের অগ্রভাগে একটি পাতা থাকে।

বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় যষ্টিমধু  ব্যবহারের ঐতিহ্য অনেক পুরনো। আর এ ঐতিহ্যের ফলেই আধুনিককালের গবেষকদের দৃষ্টি যষ্টিমধুর উপর পড়ে। এ পর্যন্ত পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় তা প্রমাণিতও হয়েছে।

এর পাতাগুলো ডিম্বাকৃতির, সবুজ ও মসৃণ। পুষ্পদণ্ডের উভয় দিকে হালকা গোলাপি বর্ণের ফুল ফোটে। এর ফল পডজাতীয় এবং এর প্রতিটি ফলে দুই-পাঁচটি বীজ থাকে। এর মূল বেশ মোটা, গোলাকার ও মিষ্টি স্বাদযুক্ত।

যষ্টিমধুর প্রধান কার্যকর রাসায়নিক উপাদানটি হলো ট্রাইতারপিনয়েড স্যাপোনিন গ্লিসাইরিজিন (গ্লিসাইরিজিনিক এসিডের পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম লবণের মিশ্রণ)।

এ ছাড়াও এতে রয়েছে গ্লাবরানিন এ ও বি, গ্লিসাইরেটল, গ্ল্যাবরোলাইড, আইসোগ্ল্যারোলাইড নামে ট্রাইতারপিনয়েড স্যাপেনিন; ফরমোনোনেটিন, গ্ল্যাবরোন, নিওলিকুইরিটিন, হিসপা-গ্ল্যাবরিডিন এ ও বি নামে আইসোফাবন; হারনিয়ারিন, আম্বিলিফেরন নামক কৌমারিন এবং আনোসেরিন, এমাইরিন, স্টিগমাস্টেরল নামক ট্রাইতারপিন স্টেরল ইত্যাদি।

আধুনিক গবেষণা ও ঔষধি গুণাবলি বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় যষ্টিমধু ব্যবহারের ঐতিহ্য অনেক পুরনো। আর এত ব্যবহারই আধুনিককালের গবেষকদের দৃষ্টি এর প্রতি ফিরিয়ে আনে।

এ পর্যন্ত পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যষ্টিমধু আলসার, যকৃতের বিভিন্ন রোগ মৃগী এবং যৌন রোগের নিরাময়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

শুরু হয়ে গেছে শীত ঋতু। শীতের এই সময়ে হুটহাট করে ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে। ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা-জ্বরে থেকে সুরক্ষায় কিছু হারবাল উপাদান সবচেয়ে বেশি কাজ করে। এসব খেলে ঠাণ্ডা-জ্বর ভালো হয়ে যায়। ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় যষ্টিমধু ব্যবহারের ঐতিহ্য অনেক পুরনো। আর এ ঐতিহ্যের ফলেই আধুনিককালের গবেষকদের দৃষ্টি যষ্টিমধুর উপর পড়ে। এ পর্যন্ত পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় তা প্রমাণিতও হয়েছে।

যষ্টিমধু বহুবর্ষজীবী গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এটি আলসার, যকৃতের বিভিন্ন রোগ, মৃগী এবং যৌন রোগের নিরাময়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।এছাড়া যষ্টিমধু চা খেলে ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা-জ্বর ভালো হয়।

খাদ্যনালী ও পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে যষ্টিমধু চা। এলডিএল অক্সিডশন রুখে হার্টের সমস্যা দূরে রাখে, টেস্টোটেরনের সঠিক মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার

What are the symptoms of a brain tumor?

Symptoms of brain tumors

What are the symptoms of a brain tumor, symptoms of a brain tumor are abnormal growths of flesh or cells in the brain, called brain tumors. When this tumor grows in the head,

the pressure inside the brain increases which damages the brain. Brain tumors need treatment at the right time. But first you need to know what causes a brain tumor and what are its symptoms.

Brain tumors that cause:

Brain tumors can occur for a variety of reasons. Brain tumors occur when there is a defect in the DNA of normal brain cells. The body’s cells constantly divide and die. Which is replaced by another cell.

In many cases new cells are formed but it is seen that the old cells are not completely destroyed. As a result, these cells freeze and become tumors. Brain tumors are often caused by heredity. That is, a brain tumor of a father, mother or relative.

What is a brain tumor:

Brain tumors are collections or objects of cells in the brain. Brain tumors form when cell growth is abnormal. Brain tumors are of two types. One is cancerous i.e. malignant and the other is non-cancerous i.e. benign. As the malignant brain tumor grows, it increases the pressure inside the brain. It can be fatal for us.

Some of the symptoms of a tumor on the head:

Headaches are more or less common in almost everyone. However, not all types of pain are symptoms of tumors. A brain tumor causes severe headaches and is unbearable. This type of headache is a common symptom of tumors. Headaches in brain tumors usually occur in the morning and then persist.

There is also pain until bedtime at night. Nausea without any reason and nausea with severe headache can be symptoms of brain tumor. There may be problems speaking or hearing. If you have a brain tumor, you may feel dizzy and fall. Changes are seen in the behavior of the person.

Brain tumor:

Forgetfulness is considered a symptom of a brain tumor. Frequent radiation or X-rays can cause the disease. Brain tumor treatment depends on the size, location and type of the tumor. For example, the most common treatment for malignant brain tumors is surgery. It helps to remove cancer without damaging any part of the brain.

Some tumors are in areas that are easy to remove, while others are in areas that are difficult to remove. There are some risks to surgery such as infection and bleeding. Benign tumors are surgically removed.

ব্রেন টিউমারের লক্ষণগুলো কী কী

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো, মস্তিষ্কে মাংসের অথবা কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়াকে ব্রেন (মস্তিষ্ক) টিউমার বলা হয়।  যখন মাথায় এই টিউমার বৃদ্ধি পায় তখন মস্তিষ্কের ভেতরে চাপ বেড়ে যায় যা মস্তিষ্ককে ক্ষতিগ্রস্থ করে। সঠিক সময়ে ব্রেন টিউমার চিকিৎসা প্রয়োজন। তবে আগে জানা উচিত ব্রেন টিউমার যে কারণে হয় এটি কী এবং এর লক্ষণগুলো কী কী।

ব্রেন টিউমার যে কারণে হয় :

ব্রেন টিউমার বিভিন্ন কারণের জন্য হতে পারে। ব্রেন টিউমার তখনি হয় যখন মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কোষগুলির ডিএনএ-তে কোনো ত্রুটি থাকে। শরীরের কোষগুলো ক্রমাগত বিভক্ত হয়ে যায় এবং মরে যায়। যার পরিবর্তে অন্য কোষ সৃষ্টি হয়।

অনেক ক্ষেত্রে নতুন কোষ সৃষ্টি হয়ে যায় তবে দেখা যায় পুরনো কোষগুলো সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হয় না। যার ফলে এই কোষগুলো জমাট বেঁধে টিউমারের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার অনেক সময় বংশগত কারণে ব্রেন টিউমার হয়ে থাকে। অর্থাৎ বাবা, মা বা আত্মীয় কারো ব্রেন টিউমারথাকলে।

ব্রেন টিউমার কী :

ব্রেন টিউমার মস্তিষ্কে কোষের সংগ্রহ বা বস্তু। যখন কোষের বৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় তখন ব্রেন টিউমার সৃষ্টি হয়। ব্রেন টিউমার দুই ধরনের হয়। এক হলো ক্যান্সারযুক্ত অর্থাৎ ম্যালিগন্যান্ট আরেকটি ক্যান্সারহীন অর্থাৎ বিনাইন। ম্যালিগন্যান্ট ব্রেন টিউমার বৃদ্ধি পেলে তা মস্তিষ্কের ভেতরে চাপ বাড়িয়ে তোলে। এটা আমাদের জন্য মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

মাথায় টিউমারের কয়েকটি লক্ষণ :

মাথা ব্যথা প্রায় সবার কম বেশি হয়ে থাকে। তবে সব ধরণের ব্যথা টিউমারের লক্ষণ নয়। ব্রেন টিউমার হলে তীব্র মাথা ব্যথা হয় এবং তা সহ্য ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। এই ধরণের মাথা ব্যথা টিউমারের একটি সাধারণ লক্ষণ। ব্রেন টিউমারের মাথা ব্যথা সাধারণত সকালের দিকে হয় এবং পরে তা ক্রমাগত হতে থাকে।

এছাড়াও রাতে শোয়ার সময় পর্যন্ত ব্যথা থাকে। কোনো কারণ ছাড়া বমি হওয়া এবং তীব্র মাথা ব্যথার সঙ্গে বমি ভাব ব্রেন টিউমারের লক্ষণ হতে পারে। কথা বলতে অথবা শুনতে সমস্যা হতে পারে। ব্রেন টিউমার হলে মাথা ঘোরায় যার ফলে পড়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। ব্যক্তির আচরণে পরিবর্তন দেখা যায়।

ব্রেন টিউমার:

ভুলে যাওয়া ব্রেন টিউমারের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। ঘন ঘন রেডিয়েশন অথবা এক্সরে নেয়া হলে এই রোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে।ব্রেন টিউমার চিকিৎসা নির্ভর করে টিউমারের আকার, অবস্থান এবং ধরনের ওপর। যেমন, ম্যালিগন্যান্ট ব্রেন টিউমারের সাধারণ চিকিৎসা হলো সার্জারি। এটি ব্রেনের কোনো অংশ ক্ষতি না করে ক্যান্সার অপসারণে সহায়তা করে।

কিছু টিউমার এমন জায়গায় থাকে যেগুলো অপসারণ করা সহজ আবার কিছু এমন জায়গায় অবস্থান করে যেগুলো সরানো কঠিন হয়ে পড়ে। সার্জারিতে কিছু ঝুঁকি রয়েছে যেমন ইনফেকশন এবং রক্তক্ষরণ। বিনাইন টিউমার অস্ত্রোপচার মাধ্যমে অপসারণ করা হয়।

Find out the benefits of alum

What are the benefits of alum

What are the benefits of alum, alum is usually used to purify water. But this little thing comes in handy. Learn from our report what alum helps you to stay away from diseases.

Alum is a semi-transparent glass-like solid substance that tastes sweet and tan and is extremely dry in nature. Basically it is a mineral. Later, scientists made artificial alum in the laboratory. Bathing in this way for a few days will bring relief. However, red glass-like or transparent alum is best for medicinal use.

As an antiseptic

1. If there is any sore inside the mouth, apply alum there. May irritate, but the wound will dry quickly. However, do not swallow saliva. And keep alum away from children.

2. Bacteria cause bad breath. Alum is able to kill bacteria. Boil a glass of water. Mix one pinch of salt in it. This time add alum powder. When the mixture has cooled, rinse with a piece of alum.

3. Children often get lice and lice eggs on their heads. Mix alum powder in water and add a little tea tree oil. This time massage on the scalp for 10 minutes. Then shampoo.

4. If you have acne on your face

Can use alum. Bathing in this way for a few days will bring relief. Make a pack with one teaspoon of multani soil, two teaspoons of egg white and one teaspoon of alum powder. Put the pack on your face, leave it for 15 minutes and wash it off.

5. After shaving or shaving, apply alum and wash with cold water. Bathing in this way for a few days will bring relief.

6. If you get the impression of age, soak a piece in water and rub it on your face. Then wash your face with cold water and apply moisturizer.

7. Can be used as a deodorant. Mix sesame seeds with alum powder. Myrrh or mastic is a special type of tree glue.

8. Make a paste with alum powder, turmeric and water when the leg is tense. The bleeding will stop immediately. Apply there if it hurts.

Destroying lice

Hair lice? No worries, alum will get rid of lice. Mix 4 grams alum in 1/2 liter of water. Now apply it on the palm of the head. After 30 minutes, wash your hair with shampoo. Use 1/2 day a week.

ফিটকিরি উপকারিতা কী কী জেনে নিন

ফিটকিরি উপকারিতা কী

ফিটকিরি উপকারিতা কী, ফিটকিরি সাধারণত পানিকে পরিশোধিত করতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এই ছোট্ট জিনিসটা আরও বিভিন্ন কাজে লাগে। আমাদের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন কী কী রোগ থেকে দূরে থাকতে আপনাকে সাহায্য করে ফিটকিরি।

ফিটকিরি একপ্রকার অর্ধস্বচ্ছ কাচ সদৃশ কঠিন পদার্থ যার স্বাদ মিষ্টি ও কষা এবং অত্যন্ত শুষ্ক প্রকৃতির। মূলত এটি খনিজ দ্রব্য। পরে বিজ্ঞানীগণ ল্যাবরেটরীতে কৃত্রিম ফিটকিরি তৈরি করেন। এভাবে কয়েকদিন গোসল করলে স্বস্তি মিলবে। তবে ওষুধে ব্যবহারে জন্য লাল রং এর কাচ সদৃশ বা স্বচ্ছ ফিটকিরি সবচেয়ে উত্তম।

এন্টিসেপ্টিক হিসেবে

১। মুখের ভেতরে কোনও ঘা হলে, সেখানে ফিটকিরি লাগান। জ্বালা করতে পারে, কিন্তু তাড়াতাড়ি ঘা শুকাবে। তবে লালা গিলে ফেলবেন না। আর শিশুদের থেকে দূরে রাখবেন ফিটকিরি।

২। ব্যাকটেরিয়ার ফলে মুখে গন্ধ হয়। ফিটকিরি ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সক্ষম। এক গ্লাস পানি ফোটান। তার মধ্যে এক চিমটি লবণ দিয়ে মেশান। এবারে ফিটকিরির গুঁড়া মেশান। মিশ্রণ ঠান্ডা হলে, এক টুকরো ফিটকিরি তা দিয়ে কুলকুচি করুন।

৩। শিশুদের মাথায় প্রায়ই উকুন ও উকুনের ডিম হয়। পানিতে ফিটকিরি গুঁড়া মিশিয়ে তার মধ্যে একটু চা গাছের তেল (টি ট্রি অয়েল) মেশান। এবারে ১০ মিনিট ধরে মাসাজ করুন স্ক্যাল্পে। এর পরে শ্যাম্পু করে নিন।

৪। মুখে ব্রণ হলে

ফিটকিরি ব্যবহার করতে পারেন। এভাবে কয়েকদিন গোসল করলে স্বস্তি মিলবে। এক চামচ মুলতানি মাটি, দু’চামচ ডিমের সাদা অংশ ও এক চামচ ফিটকিরি গুঁড়ো দিয়ে প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৫। দাড়ি কামানোর পরে বা কেটে গেলে ফটকিরি লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কয়েকদিন গোসল করলে স্বস্তি মিলবে।

৬। বয়সের ছাপ পড়লে এক টুকরো পানিতে ভিজিয়ে তা মুখে ঘষুন। তার পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

৭। ডিওডোর‌্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ফিটকিরির গুঁড়োর সঙ্গে গন্ধরস মেশান। গন্ধরস বা মস্তকি এক ধরনের গাছের আঠা বিশেষ।

৮। পায়ে শিরায় টান পড়লে ফিটকারির গুঁড়ো, হলুদ এবং পানি দিয়ে একটি পেস্ট বানান। রক্তপাত মুহূর্তেই বন্ধ হবে। ব্যথা হলে সেখানে লাগান।

উকুন ধ্বংসে

চুলে উকুন হয়েছে? চিন্তা নেই, ফিটকিরিই দূর করে দিবে উকুন। ১/২ লিটার জলে ৪ গ্রাম ফিটকিরি মিশিয়ে নিন। এবার মাথার তালুতে লাগান। ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১/২ দিন ব্যবহার করুন।